বিধানসভা নির্বাচন

পশ্চিমবঙ্গের আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে জনগণের কাছে আমাদের আহ্বান

ফ্যাসীবাদের বিরুদ্ধে গণ প্রতিরোধ, গণ আন্দোলন তীব্র করুন !

জনগণের গণতান্ত্রিক ক্ষমতা ও অধিকারের লড়াইকে শক্তিশালী করুন !

ভোটার তালিকা এবং নাগরিকত্ব নিয়ে সংশয়ের মধ্যে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে এই বারের বিধানসভা নির্বাচন। ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের নামে ইতিমধ্যে প্রায় ৬৫ লক্ষ নাম বাদ গেছে, আরও ৬০ লক্ষ মানুষের ভবিষ্যৎ ‘বিচারাধীন’ তকমার আড়ালে ঝুলে রয়েছে। বিচারকদের কলমের খোঁচায় যাদের নাম বাদ যাচ্ছে, তাদেরকে নাগরিকত্বের প্রমাণ দিতে দৌড়াতে হবে ট্রাইব্যুনালের দরজায়। খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, কর্মসংস্থান, মূল্যবৃদ্ধি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, দুর্নীতি, সন্ত্রাস, আর্থিক বৈষম্য ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো বাদ গিয়ে এখন এসআইআর হয়ে উঠেছে সমস্ত মহলের একমাত্র চর্চার বিষয় এবং এই নির্বাচনের একমাত্র ইস্যু। বস্তুত শাসক শ্রেণীও ঠিক এটাই চেয়েছিল। মানুষ তাদের অধিকার এবং ন্যায্য দাবির প্রশ্ন ভুলে গিয়ে শাসকদের তৈরি করে দেওয়া ন্যারেটিভে পুতুল নাচ নাচুক। সেই কারণেই ধর্মীয় বিভাজন, হিন্দু মুসলমান, রোহিঙ্গা, বাংলাদেশী অনুপ্রবেশকারী, সন্ত্রাসবাদ—এগুলো বারবার ঘুরে ফিরে আসে রাজনৈতিক নেতাদের বক্তব্যে এবং মিডিয়ার প্রচারে। এতে রাজ্য ও কেন্দ্রের ক্ষমতাসীন দল — উভয়েরই সুবিধা। কেউ আর তাদের অপশাসন, জনবিরোধী কার্যকলাপ, দুর্নীতি, বিরোধী মতকে কুচিয়ে দেওয়া, কর্পোরেটদের পকেট ভরাতে সাহায্য করা নিয়ে প্রশ্ন করছে না।

বস্তুতপক্ষে, ১৯৫২ সালের প্রথম সাধারণ নির্বাচন থেকে শুরু করে আজ অবধি, কোনো নির্বাচনেই জনগণের আশা আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটে নি, নির্বাচিত সরকারগুলো জনগণের স্বার্থে কোনোদিনই কাজ করে নি। নির্বাচনের মধ্য দিয়ে যখন যখন সরকার পরিবর্তন হয়েছে, সেটা শাসকশ্রেণীর মধ্যেকার দ্বন্দ্বের ফলে ঘটেছে এবং কখনও কখনও শাসক দলের প্রতি জনগণের তীব্র ক্ষোভ যাতে বিদ্রোহের আকারে ফেটে না পড়ে তার ‘সেফটি ভাল্‌ভ’ হিসেবে শাসকশ্রেণী নির্বাচনকে ব্যবহার করে সরকার পরিবর্তনে সায় দিয়েছে। ১৯৪৭ পরবর্তী সময়ে যে দলগুলো দেশে বা বিভিন্ন রাজ্যে ক্ষমতায় থেকেছে, তাদের অধিকাংশই ফ্যাসিস্ট চরিত্রের — বুর্জোয়া গণতন্ত্রী নয়।

তবে এটা মানতে হবে যে ভারতের শাসকশ্রেণী সংসদীয় ব্যবস্থাকে একটা মাত্রায় হলেও জনগণের মনে বৈধতা দিতে পেরেছে, বড় সংখ্যক জনগণকে প্রতি বছর ভোটের লাইনে দাঁড় করাতে পেরেছে। ‘ভোট দিয়ে কিছু হবে না’, ‘সব দল সমান’, ‘কোন দলই জনগণের কথা ভাবে না’—এগুলো মন থেকে বিশ্বাস করার পরও বহু মানুষ বছর বছর ভোট দেন। আর এইবার এসআইআর-কে কেন্দ্র করে মানুষের নাগরিকত্বকেই যেভাবে প্রশ্নের মুখে ফেলে দেওয়া হয়েছে, তাতে অনেক মানুষ যারা আগে ভোট দিতেন না, তাদেরকেও ভোটের লাইনে দাঁড়াতে বাধ্য করা হচ্ছে।

পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভার এইবারের ভোটেও ক্ষমতা দখলের মূল লড়াই মূলত তৃণমূল কংগ্রেস এবং বিজেপির মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকছে। তৃণমূল কংগ্রেস গত ১৫ বছর আমাদের রাজ্যে শাসন চালিয়ে আসছে, তারা রাজ্য প্রশাসনের ওপর একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণ কায়েম করেছে। তাদের সবকিছু মমতা ব্যানার্জির ওপরই নির্ভরশীল। এই ১৫ বছরের তারা দুর্নীতিটা এমন স্তরে নিয়ে গেছে যে পশ্চিমবঙ্গের প্রতিটা মানুষ মন থেকে বিশ্বাস করে যে এই দলের প্রত্যেকটা লোক চোর। চাকরি, কয়লা, বালি, গরু, রাস্তা, ইঁট, পাথর, পঞ্চায়েতের ঘর, ১০০ দিনের কাজ, রেশনের চাল, হাঁস, মুরগি, পুকুর, জমি, গাছ, মাছ, কাঁকড়া, ওষুধ, মৃতদেহ, চিকিৎসা সরঞ্জাম — কোনো কিছুকে এরা বাদ রাখে নি। ইডি, সিবিআই, হাইকোর্ট, মিডিয়া ইত্যাদি সংস্থা তৃণমূলের এই দুর্নীতিকে জনসমাজে প্রকাশ করে দিয়েছে। তবে তা সত্ত্বেও তৃণমূল পরপর বিভিন্ন নির্বাচনে বিপুল ভোটে জিতছে। তার একটা প্রধান কারণ হলো সরকারের জনবিরোধী কাজের প্রতিবাদে উল্লেখযোগ্য গণ আন্দোলনের অনুপস্থিতি। ভোটবাজ সব দলগুলো জনগণের দাবি-দাওয়া নিয়ে কোন আন্দোলন গড়ে তোলার চেষ্টা করেনি।

আর জি কর হাসপাতালে চিকিৎসকের ধর্ষণ ও হত্যার বিরুদ্ধে কয়েক মাস ধরে লাগাতার আন্দোলন চললেও এবং সেই আন্দোলনে লক্ষ লক্ষ মানুষ অংশগ্রহণ করলেও, আন্দোলনকে সঠিক দিশা দেখানো এবং নেতৃত্ব দেবার মতো কোনো সংগঠিত শক্তি না থাকার কারণে, আন্দোলন থেমে যায়। চাকরি হারা শিক্ষক এবং চাকরিপ্রার্থীদের আন্দোলন দীর্ঘদিন ধরে চললেও তা সমাজের অন্যান্য অংশের মানুষকে আকৃষ্ট করতে পারে নি। এই ক্ষেত্রে বাম শিক্ষক সংগঠন ABTA-এর ভূমিকাও হতাশাজনক। সেই কারণে তৃণমূলের শাসনে নারীদের ওপর অত্যাচার, খুন, জখম, বোমাবাজি, ঘর জ্বালানো নিয়মিত ঘটনা হয়ে দাঁড়ালেও, এইসবের বিরুদ্ধে কোন কার্যকর গণ প্রতিরোধ এখনও গড়ে ওঠে নি।

সম্প্রতি ‘ওয়াও মোমো’ র কারখানায় জীবন্ত অগ্নিদগ্ধ হয়ে ৪০ জন শ্রমিকের মৃত্যুর ঘটনা নিয়েও সমাজে সেই রকম কোন আলোড়ন তৈরি হয় নি। এমনকি বামপন্থী শ্রমিক সংগঠনগুলোও বাস্তবে নীরব থেকেছে। ফলে একদিকে সামাজিক কল্যাণের নামে বিভিন্ন ধরনের ভাতা চালু করে এবং অন্যদিকে প্রশাসন ও মাসল পাওয়ারকে কাজে লাগিয়ে তৃণমূল বিধানসভা থেকে পৌরসভা পঞ্চায়েত পর্যন্ত নিজের ক্ষমতা কায়েম করেছে। আম্বানি আদানি সহ বিভিন্ন কর্পোরেট পুঁজির সমর্থনও তারা ভালো মাত্রায় পেয়েছে। কেন্দ্র সরকারের বঞ্চনাকে ইস্যু বানিয়ে এবং বিভিন্ন রাজ্যে বাঙালি শ্রমিকদের ওপর আক্রমণের ঘটনাকে পুঁজি করে, বাঙালি অস্মিতাকে ব্যবহার করে তৃণমূল নিজেকে বাঙালি জাতির রক্ষাকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে চাইছে। এসআইআর-এর নামে যেভাবে মানুষজনকে হয়রানি করা হচ্ছে, বহু মানুষের নাম বাদ যাচ্ছে, অনেকে আতঙ্কে আত্মহত্যা করছেন—সেটাকে কেন্দ্র করে তৃণমূল এটাকেই এইবারের নির্বাচনের একমাত্র ইস্যু হিসেবে সামনে আনতে চাইছে, যাতে তাদের ১৫ বছরের অপকীর্তিগুলো ঢাকা পড়ে যায়, বেকার সমস্যা, মানুষের জীবিকাহীনতা, সরকারি শিক্ষা ব্যবস্থাকে তুলে দেওয়া, স্বাস্থ্য পরিকাঠামোর বেহাল দশা—এগুলো নিয়ে আলোচনা না হয়।

অন্যদিকে, বিজেপি পশ্চিমবঙ্গের সমাজে ধর্মীয় মেরুকরণটা খুব স্পষ্টভাবে করতে পেরেছে এবং হিন্দু ভোটের বড় অংশকে নিজেদের পক্ষে আনতে পেরেছে। সাথে সাথে দলিত আদিবাসীদের মধ্যেও যথেষ্ট মাত্রায় প্রভাব তৈরি করতে পেরেছে। নাগরিকত্ব নিয়ে মতুয়াদের বিভ্রান্ত করে তাদের একটা অংশকে নিজেদের পক্ষে নিতে পেরেছে। রাজ্যের বিভিন্ন অঞ্চলে গত দশ বছরে আরএসএস-বিজেপি খুব সফলভাবে স্বল্পমাত্রার সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা সৃষ্টি করতে পেরেছে। রামনবমীর মিছিল, হনুমান জয়ন্তী, ব্রিগেডে গীতা পাঠের আসর বসানো ইত্যাদির মধ্য দিয়ে তারা নিজেদের ভিত্তিকে সংহত করেছে। আরএসএস-বিজেপির এই কট্টর হিন্দুত্ববাদী সাম্প্রদায়িক নীতিগুলোকে মোকাবিলা করার পরিবর্তে তৃণমূল এবং মমতা ব্যানার্জি-ও নিজেদেরকে প্রকৃত হিন্দুত্ববাদী হিসেবে তুলে ধরবার সমান চেষ্টা করছে। বিভিন্ন স্থানে মন্দির সংস্কার, দীঘাতে জগন্নাথ মন্দির প্রতিষ্ঠা, শিলিগুড়িতে মহাকাল মন্দির স্থাপন, গীতা পাঠের পাল্টা চণ্ডীপাঠ এর উদ্যোগ, রামনবমী, হনুমান জয়ন্তী পালনে বিজেপিকে টেক্কা দেবার চেষ্টা করা ইত্যাদির মধ্য দিয়ে তারা আরএসএস-বিজেপির রাজনীতিকেই শক্তিশালী করছে। দুঃখের বিষয় হলো তৃণমূলের এই ন্যক্কারজনক ভূমিকা দেখার পরও প্রগতিশীল একটা অংশ বিজেপিকে আটকানোর জন্য তৃণমূলের ওপরে ভরসা রাখছেন এবং ঘুরিয়ে পেঁচিয়ে তৃণমূলের হয়ে ভোট প্রচার করছেন। সিপিএম বিজেমূল তত্ত্বের আড়ালে রামবাম খেলায় মত্ত। ৩৪ বছর ধরে পশ্চিমবঙ্গে সামাজিক ফ্যাসিবাদী সন্ত্রাস চালানোর জন্য সিপিএম আজও কোন আত্মসমালোচনা রাখেনি। উল্টে এখনও তারা পশ্চিমবঙ্গের জনগণকে নিজেদের প্রজা মনে করে জমিদার সুলভ আচরণ করে চলেছে।

বিজেপি পশ্চিমবঙ্গে প্রচুর ভোট পেলেও তাদের সংগঠন সেভাবে তৈরি করতে পারে নি। তৃণমূলের দুর্নীতির বিরুদ্ধে এবং জনগণের মৌলিক দাবীগুলো নিয়ে কোনো আন্দোলনও তারা করে নি। কারণ সেগুলো করতে গেলেই প্রশ্ন আসবে যে ১২ বছর ধরে কেন্দ্রে সরকারে থেকে কিভাবে তারা কর্পোরেটদের কাছে দেশকে বিক্রি করে দিচ্ছে, মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের হাতের পুতুলের মতো তাদের প্রধানমন্ত্রী নাচছেন। তার চেয়ে রোহিঙ্গা, বাংলাদেশী, অনুপ্রবেশকারী—এইসব বয়ানেই বিজেপি নেতারা স্বচ্ছন্দ বোধ করে। তৃণমূলের দুর্নীতিতে অজুহাত করে বাংলার মানুষের বিভিন্ন প্রকল্পে প্রাপ্য অর্থ তারা আটকে রেখেছে এবং এইভাবে যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোকেই ধ্বংস করে দিতে চাইছে। বাণিজ্য চুক্তিতে মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের কাছে দেশের কৃষি ক্ষেত্র, পোল্ট্রি, ডেয়ারী, বস্ত্র শিল্প, যন্ত্রাংশ নির্মাণ শিল্প ধ্বংস করার ব্যবস্থা করা হল। ১০০ দিনের কাজের প্রকল্প বন্ধ করে G-Ram G লাগু করে গ্রামাঞ্চলের কোটি কোটি গরীব মানুষের কাজের অধিকার হরণ করেছে মোদী সরকার। নতুন বিদ্যুৎ বিল (Shanti 25) কার্যকর করে বিদ্যুৎ ক্ষেত্রকে কর্পোরেটদের লুন্ঠনের জন্য তুলে দেবার ব্যবস্থা করছে।

আজ পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল-বিজেপির বিকল্প হিসেবে প্রয়োজন ছিল এক গণতান্ত্রিক প্রগতিশীল বামপন্থী বিকল্পের। কিন্তু তা হয় নি। ফলে নির্বাচনী রাজনীতিতে এবং রাস্তার লড়াইতেও মানুষের কাছে কোন বিকল্প নেই। আজ সমস্ত গণতান্ত্রিক ও প্রগতিশীল মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করার চেষ্টা চালানো বামপন্থীদের কাছে এক বড় কাজ হিসেবে সামনে এসেছে। ভারতের রাষ্ট্র কাঠামোর ক্রমাগত ফ্যাসীকরণ, বিশেষ করে আরএসএস-বিজেপি পরিচালিত ব্রাহ্মণ্যবাদী ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে আন্দোলন ও প্রতিরোধ সংগ্রাম গড়ে তোলার চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে। মানুষের যে মৌলিক সমস্যাগুলো, যেমন – কর্মসংস্থান, মূল্যবৃদ্ধি, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, খাদ্য, বাসস্থান, পরিবেশ, জাতিগত ধর্মগত এবং লিঙ্গগত নিপীড়নের বিরুদ্ধে গণতান্ত্রিক অধিকারের লড়াইকে শক্তিশালী করতে হবে। ভোটাধিকার মানে শুধু বছরে একদিন লাইনে দাঁড়িয়ে আঙুলে কালি লাগিয়ে বোতাম টেপা নয়, একদম তৃণমূল স্তর থেকে সর্বোচ্চ স্তর পর্যন্ত জনগণের জন্য প্রয়োজনীয় রাজনৈতিক সামাজিক ও অর্থনৈতিক সিদ্ধান্তগ্রহণের প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করার এবং মতামত দেবার অধিকার—এই বার্তা আমাদেরকে জনগণের সামনে তুলে ধরতে হবে। সমাজতান্ত্রিক ব্যবস্থাই যে একমাত্র বিকল্প, সেই ধারণাকে জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্য করে তুলতে হবে।

আমরা দাবি রাখছি –

১) মানুষের রাজনৈতিক ও গণতান্ত্রিক ক্ষমতাকে বিকাশ করো

২) জীবন জীবিকা শিক্ষা স্বাস্থ্য কর্মসংস্থান সহ মানুষের মৌলিক অধিকারগুলোকে সুনিশ্চিত করো

৩) রাজনৈতিক মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে নিশ্চিত করো

৪) দলিত আদিবাসী সংখ্যালঘু নারীদের জন্য সামাজিক ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা করো

৫) এসআইআর–এনআরসি বাতিল করো। কোন মানুষকে বেনাগরিক করা চলবে না

৬) রাজ্যের প্রাকৃতিক সম্পদ লুণ্ঠন এবং কর্পোরেটদের হাতে তুলে দেওয়া বন্ধ করো

৭) নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম কমাতে হবে

৮) শিক্ষা ও স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে সরকারি পরিকাঠামো উন্নত করো

৯) পরিবেশ ধ্বংসের কর্পোরেট ও সরকারি চক্রান্তকে বন্ধ করা

১০) শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি এবং সামাজিক নিরাপত্তার ব্যবস্থা করতে হবে

১১) কৃষকদের ফসলের ন্যায্য দাম সুনিশ্চিত করতে হবে

সংগ্রামী অভিনন্দন সহ
আজাদ গণ মোর্চা
০৮/০৪/২৬


কভার ফটো সৌজন্যেhttps://frontline.thehindu.com/politics/west-bengal-sir-fears-deaths-political-fallout/article70255876.ece [Retrieved On: 09/04/2026]

One thought on “পশ্চিমবঙ্গের আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে জনগণের কাছে আমাদের আহ্বান

Leave a Reply