টু,
DM জলপাইগুড়ি,
বিষয় – মেমোরান্ডাম জমা
তারিখ – ১২/০৫/২০২৩
ম্যাডাম,
আমরা ‘প্রমিলা ব্রিগেড’ জলপাইগুড়ি টাউন কমিটি-র পক্ষ থেকে আমাদের কিছু জরুরী সমস্যা নিয়ে আলোচনা করতে আপনার কাছে এসেছি।
আজ আমরা আপনার কাছে একটা মেমোরান্ডামও জমা করব, আর আশা করব যে শীঘ্রই আপনি আমাদের সমস্যাগুলোর একটা সমাধান করবেন।
আমাদের দাবিগুলো নিম্নরূপ –
১) আমাদের জেলার অধিকাংশ মহিলাই (অল্পবয়স্ক ও বয়স্ক উভয়েই) কর্মহীন। অনেক অল্পবয়স্ক শিক্ষিত মহিলা সরকারি চাকরি থেকে বঞ্চিত। আমরা চাই যে তাঁদের জন্য যেন কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হয়।
২) অধিকাংশ মহিলাই সেলাইয়ের কাজ জানে, কিন্তু সেলাই মেশিনের অভাবে তাঁরা সেই কাজ করতে পারেন না। যেহেতু আর্থিকভাবে তাঁরা অত্যন্ত গরীব, তাই আমরা আপনার অফিস থেকে তাঁদের জন্য আর্থিক সাহায্য চাইছি।
৩) গ্রামে ও শহরে মহিলাদের অনেকেই বেশ বয়স্ক। কিন্তু তাও তাঁরা মাসিক বার্ধক্য ভাতা পান না। তাঁরা যাতে সেই টাকা পান তার দাবি জানাচ্ছি আমরা।
৪) জলপাইগুড়ি শহরে আর গ্রামগুলোতে অনেক প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রেই কোনো ডাক্তার নেই, চিকিৎসা হয় না, ওষুধ নেই। আমরা আবেদন জানাচ্ছি যে এই ব্যাপারে আপনি যেন নজর দেন।
৫) শহর-গ্রামের অনেক ছাত্রছাত্রীরই একটা সমস্যা হলো পাঠ্য বই ও সহায়িকা বইয়ের অভাব। তারা অত্যন্ত দরিদ্র। সেই কারণে তারা পাঠ্য বই ও সহায়িকা বই কিনে উঠতে পারে না। দয়া করে আপনি এই ব্যাপারে নজর দেবেন।
৬) গ্রামগুলোতে সেচ ব্যবস্থার একটা সমস্যা আছে। দয়া করে সেটার শীঘ্র সমাধানের ব্যবস্থা নিন।
৭) পাঙ্গা এয়ারপোর্ট এলাকায় ৪০ বছর ধরে বাস করলেও বহু মানুষ এখনও জমির পাট্টা পাননি। শীঘ্র এই সমস্যাটার সমাধান হওয়া উচিত।
৮) আমাদের অধিকাংশেরই এখনও কোনো SC/ST সার্টিফিকেট নেই। এই বিষয়টা দয়া করে দেখবেন।
৯) গ্রামের পরিবারগুলোর অধিকাংশই ভীষণ গরীব। তাঁদের রেশন কার্ডগুলো হলো RKSY ২, যেখান থেকে তাঁরা অত্যন্ত কম রেশন পান। এই রেশন কার্ডগুলোকে AAY কার্ডে পরিবর্তিত করতে হবে।
ধন্যবাদান্তে,
আপনার অনুগত,
কম. লক্ষী রয়
কম. শ্রাবণী মন্ডল
কম. রুমকি বিশ্বাস
কম. নমিতা রয়
কম. পূজা রয়
– প্রমীলা ব্রিগেড, জলপাইগুড়ি টাউন কমিটি-র পক্ষ থেকে
স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের কভারেজ –
