চলতি বছরের জুন মাসের ২৪ তারিখে, বিহারের বিধানসভা নির্বাচনের মাত্র কয়েক মাস আগে, ভারতের নির্বাচন কমিশন হঠাৎ করে ঘোষণা করে যে তারা বিহার রাজ্যের ভোটার তালিকা সংশোধন করার জন্য একটা স্পেশাল ইন্টেনসিভ রিভিশান বা SIR করবে। কমিশনের বক্তব্য শুনলে মনে হবে – মৃত ব্যক্তিদের তালিকা থেকে বাদ দেওয়া এবং নতুন ভোটার সংযোজনের মতো এটা এক প্রকার নিষ্পাপ নিয়মমাফিক কাজ। কিন্তু বিগত এক দশকের অভিজ্ঞতায় জনতা বুঝে গেছে যে তাদেরকে সরকারি তরফে যাই বোঝানো হোক না কেন, বাস্তবে কাশ্মীরে সন্ত্রাসবাদীদের টাইট দেওয়ার জন্য বিমুদ্রাকরণ করা হয়নি, ছোট ব্যবসায়ীদের ভালোর জন্য জিএসটি করা হয়নি, শ্রমিক-কৃষকদের আয় দ্বিগুণ করার জন্য বা মূল্যবৃদ্ধিতে রাশ টেনে মধ্যবিত্ত জনগণের জীবনে স্বস্তি আনার জন্য কৃষি বিল চালুর চেষ্টা বা লেবার কোড চালু করা হয়নি, অনুপ্রবেশ ঠেকানোর জন্য NRC-CAA করা হয়নি। অতএব, খতিয়ে দেখার প্রয়োজন আছে; এবং খতিয়ে দেখতে গিয়ে দেখা গেল নির্বাচন কমিশন SIR-এর নামে বিহারে যে বিরাট কর্মযজ্ঞের আয়োজন করেছে তা আসলে ঘুরপথে NRC ছাড়া আর কিছুই না; কারণ ভোটার তালিকা সংশোধনের অজুহাতে বিহারের জনগণকে এইবার তাদের নাগরিকত্ব প্রমাণ করতে বলা হয়েছে!
নির্বাচন কমিশনের বক্তব্য অনুযায়ী SIR নিয়ে হইচই একেবারেই অহেতুক; কারণ এই প্রক্রিয়া নাকি অতীতেও হয়েছে! এটাও আসলে কমিশনের তরফ থেকে জনগণকে বিভ্রান্ত করার আরও একটা চেষ্টা। কারণ ভোটার তালিকার যেসমস্ত সংশোধন অতীতে বিহারে বা অন্যান্য যেকোনো রাজ্যে হয়েছে সেখানে এমনটা কখনও হয়নি যে তালিকায় নাম থাকা জীবিত ব্যক্তিকে নিজের জন্ম তারিখ আর জন্মস্থান নির্ধারণ করছে এমন কাগজ জমা দিয়ে প্রমাণ করতে হচ্ছে যে সে ভারতের নাগরিক! আর এটাও শুধুমাত্র তাদের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য যাদের জন্ম ০১/০৭/১৯৮৭ তারিখের আগে; বাকি কারও জন্ম যদি এই তারিখ থেকে ০২/১২/২০০৪ তারিখের মধ্যে হয়ে থাকে তাহলে তাকে তার বাবা অথবা মায়ের জন্ম তারিখ ও জন্মস্থান নির্ধারণ করছে এমন কাগজও জমা দিতে হবে! আর কারও জন্ম যদি এই ০২/১২/২০০৪ তারিখের পরে হয় তাহলে “অথবা”-রও গল্প নেই; বাবা-মা দুজনকারই অনুরূপ কাগজ জমা দিতে হবে; বাবা-মা ভারতীয় না হলে বৈধ পাসপোর্ট আর ভিসার কপিও (তার জন্মের সময়কার) জমা করতে হবে! ভোটার তালিকার এমন সংশোধন কি অতীতে কেউ কখনও দেখেছেন? অতএব, নির্বাচন কমিশনের মিথ্যে প্রচারের ফাঁদে পা তো দেবেনই না, বরং একটু কষ্ট করে তাকিয়ে নিতে পারেন ২০০৩ সালের নাগরিকত্ব আইনের ৩ নং ধারার দিকে। তাহলেই এই তারিখ-তারিখ খেলার উৎসটা পরিষ্কার হয়ে যাবে; সাথে এটাও দিনের আলোর মতো স্পষ্ট হয়ে যাবে যে এই বিরাট আয়োজন আসলে ওই বিতর্কিত নাগরিকত্ব আইনের ধারাগুলোকে চালাকির সাথে SIR-এর এনুমারেশান ফর্মের মধ্যে ঢুকিয়ে দিয়ে জাতীয় নাগরিকপঞ্জী বা NRC তৈরি করারই উদ্যোগ।
এমন নয় যে দেশে এর আগে ভোটার তালিকা সংশোধন হয়নি। ‘দ্য রেজিস্ট্রেশান অফ ইলেক্টর্স রুল্স, ১৯৬০’ আইন অনুযায়ী ভোটার তালিকার তিনরকম রিভিশান বা সংশোধন করা সংবিধানসম্মত, যথা – ইন্টেনসিভ, সামারি, অথবা আংশিক ইন্টেনসিভ আংশিক সামারি। সামারি রিভিশান একটা বার্ষিক প্রক্রিয়া, যাতে খসড়া ভোটার তালিকা তৈরি হয়, কোনোরকম অসঙ্গতি থাকলে জনগণকে সুযোগ দেওয়া হয় সেগুলো ঠিক করে নেওয়ার, এবং শেষে একটা চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হয়। আর ইন্টেনসিভ রিভিশানে একদম নতুন করে ঘরে ঘরে গিয়ে ভোটার তালিকা সংশোধন করা হয়। কিন্তু কোনও ক্ষেত্রেই নাগরিকত্ব প্রমাণ করার দায় জনগণের কাঁধে চাপিয়ে দেওয়ার বিধান নেই; তাছাড়া, নাগরিকত্ব যাচাই করাটা নির্বাচন কমিশনের কাজও নয়। তবে আমরা জানি যে ইডি, সিবিআই-এর মতো নির্বাচন কমিশনও এখন সম্পূর্ণরূপে বিজেপি-আরএসএস এর শাখায় পরিণত হয়েছে। এমনকি কিছুদিন আগে প্রধান ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার কীভাবে নিযুক্ত হবেন সেই প্রক্রিয়া নিয়েও বিস্তর জলঘোলা হয়েছে, এবং আমরা দেখেছি এই নিয়োগ প্রক্রিয়ার গোটাটাই কেন্দ্রীয় শাসকদলের নিয়ন্ত্রণে চলে গিয়েছে। তাই অতীতে NRC-CAA প্রশ্নে দেশজোড়া গণআন্দোলনের মুখে পিছু হঠা বিজেপি সরকার এখন গোটা নির্বাচন কমিশনকেই কাজে লাগিয়ে দিয়েছে NRC-র অসমাপ্ত কাজটা পূর্ণ করার জন্য। “স্পেশাল” শব্দটা যুক্ত করে সাম্প্রতিক অতীতে নির্বাচন কমিশন একবার সামারি রিভিশানও করেছে। কিন্তু এইবার “স্পেশাল” ইন্টেনসিভ রিভিশানের মধ্যে দিয়ে যে চালাকিটা কমিশন করছে সেটাকে আইনসম্মত নয় বলেই মন্তব্য করেছেন নির্বাচন কমিশানের প্রাক্তন সভাপতি ও.পি. রাওয়াত। আরেকজন প্রাক্তন সভাপতি অশোক লাভাসা-র কথা অনুযায়ী “স্পেশাল ইন্টেনসিভ রিভিশান” এই নামটাও সম্ভবত প্রথমবারই ব্যবহৃত হচ্ছে! বাস্তবে, ২০০৩ সালের নাগরিকত্ব আইন এবং NRC প্রক্রিয়ার সাথে ব্যাপারটাকে একসাথে দেখলেই এই “স্পেশাল” শব্দটার তাৎপর্য স্পষ্ট হয়ে যায়।
যাচাইকরণের জন্য যেসমস্ত ডকুমেন্ট বা কাগজ গ্রহণযোগ্য বলে নির্বাচন কমিশনের তরফে ঘোষণা করা হয়েছিল তার মধ্যে প্যান কার্ড নেই, ড্রাইভিং লাইসেন্স নেই, আধার কার্ড নেই। মানে দৈনন্দিন কাজকর্মে পরিচয়পত্র হিসেবে যেসমস্ত কাগজগুলো আমরা দাখিল করি সেগুলো নাকি ভোটার যাচাইয়ের জন্য গ্রহণযোগ্যই নয়! পরে সুপ্রিম কোর্টের কাছ থেকে কানমলা খেয়ে এই তালিকায় আধার কার্ডকে অন্তর্ভুক্ত করতে বাধ্য হয়েছে কমিশন। একবার ভেবে দেখুন! যে আধার কার্ডকে বায়োমেট্রিক সহযোগে জীবনযাত্রার সর্বত্র বাধ্যতামূলকভাবে অন্তর্ভুক্ত করা হলো, তথ্যের নিরাপত্তার মতো গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপারকে অবজ্ঞা করেই করা হলো, আর শুধু তাই নয়, যে আধার কার্ডের সাথে প্যান থেকে শুরু করে ব্যাঙ্ক আকাউন্ট – সবকিছু বাধ্যতামূলকভাবে লিঙ্ক করার জন্য সাধারণ মানুষকে লাইনে দাঁড় করালো এই সরকার, তারা ভোটার যাচাইয়ের সময় অবলীলায় এই আধার কার্ডকে বাদ দিয়ে দিচ্ছে! এগুলো দেখলেই সরকারের উদ্দেশ্য স্পষ্ট হয়ে যায়। চাপের মুখে পরে যোগ হওয়া আধার কার্ডের সাথে এই SIR প্রক্রিয়ায় গ্রহণযোগ্য কাগজগুলোর মধ্যে আছে – জন্মের শংসাপত্র, পাসপোর্ট, মাধ্যমিক বা উচ্চমাধ্যমিকের শংসাপত্র, সরকার কর্তৃক জারি করা পরিচয়পত্র বা পেনসন অর্ডার, স্থায়ী বসবাসের শংসাপত্র, অরণ্যের অধিকার সংক্রান্ত শংসাপত্র, জাতের শংসাপত্র, NRC ডকুমেন্ট, স্থানীয় কর্তৃপক্ষ অনুমোদিত পরিবারের রেজিস্টার, জমি বা ঘর বণ্টনের শংসাপত্র, এবং ১৯৮৭ সালের আগে সরকার বা PSU কর্তৃক জারি করা পরিচয়পত্র। অতএব বুঝেই নিন আসল উদ্দেশ্যটা ঠিক কী!
ভোটার তালিকায় নিজের নাম বজায় রাখতে গেলে যদি এই ধরনের কাগজ জমা করতে হয় তাহলে স্বাভাবিকভাবেই সবার আগে সমস্যায় পড়বেন গ্রামীণ দরিদ্র প্রান্তিক জনগণ। অসংখ্য গরীব পরিবারের কাছেই এই কাগজগুলোর একটাও নেই। অনেকক্ষেত্রে কাগজ থাকলেও ছোটখাটো ভুল থেকে গেছে নাম-ঠিকানায়। আমরা দেখেছি কীভাবে এই ধরনের ছোটখাটো ভুলের অজুহাতে আসামের ১৯ লক্ষ জনগণকে বাদ রাখা হয়েছিল আসাম NRC থেকে। আর NRC যে কী ভয়ানক বস্তু, তার আঁচও আমরা পেয়েছি এই আসাম থেকেই; যেখানে তালিকায় নাম না আসা অসংখ্য জনগণ হয় অনিশ্চয়তায় ভুগে আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছেন, নয়তো তাঁদের স্থান হয়েছে ডিটেনশন ক্যাম্পে! এবার বিহারে এসআইআর-এর ক্ষেত্রেও পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছে যে কেন্দ্রীয় শাসকদলের মূল লক্ষ্য হলো মুসলিম ও অন্যান্য সংখ্যালঘু গোষ্ঠী। কারণ সরকার খুব ভালো করেই বাস্তব অবস্থাটা জানে। সরকারি প্রতিবেদন নিজেই স্বীকার করছে যে বিহারের গ্রামীণ পরিবারের ৬৫.৫৮ শতাংশের কাছে কোনও জমি নেই, অতএব জমি সংক্রান্ত কোনও কাগজও নেই (২০১১ সালের সোশিও-ইকনমিক অ্যান্ড কাস্ট সেন্সাস); রাজ্যের মাত্র ২ শতাংশ জনগণের কাছে বৈধ পাসপোর্ট আছে (মিনিস্ট্রি অফ এক্সটারনাল অ্যাফেয়ার্স); সরকারি চাকরির সাথে যুক্ত রাজ্যের মাত্র ১.৫৭ শতাংশ জনগণ (বিহার কাস্ট সার্ভে ২০২২)। ভুড়িভুড়ি এরকম পরিসংখ্যান দেওয়া যায়। আর ফলস্বরূপ, নির্বাচন কমিশন বিহারের যে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করেছে তাতে বাদ পড়েছে ৪৭ লক্ষ জনগণ। এক ধাক্কায় ৭% ভোটার বাদ গেছে। সবচেয়ে বেশি কোপটা পড়েছে মুসলিম সম্প্রদায়ের জনগণ এবং নারীদের উপর। কিন্তু কেন নাম বাদ গেছে সেই ব্যাপারে কমিশন এখনও স্বচ্ছতার সাথে কোনও জবাব দিতে পারেনি। এমনকি দুই মাস আগে খসড়া তালিকায় থাকা ৩.৬৬ লক্ষ ভোটার চূড়ান্ত তালিকায় নেই কেন তার ব্যাখ্যাও কমিশন দিতে পারেনি। এছাড়া, এত লম্ফঝম্প করার পরেও দেখা যাচ্ছে যে তালিকায় ১৪ লক্ষ ভোটার নকল, ১.৩২ কোটি ভোটারের ঠিকানা সম্ভবত জাল (রিপোর্টার্স কালেক্টিভ-এর তদন্ত অনুযায়ী)! যে “অবৈধ অনুপ্রবেশ”-এর ধুয়ো তুলে SIR-কে ন্যায্য প্রক্রিয়া হিসেবে দেখানোর বিস্তর প্রচেষ্টা চলছিল, সেখানে প্রক্রিয়া-শেষে কতজন “বিদেশী”-কে খুঁজে বের করা গেল – সেই ব্যাপারেও মুখে কুলুপ এঁটেছে নির্বাচন কমিশন।
এই SIR নাকি ধীরে ধীরে সারা দেশে চালু করা হবে। দেশের অন্যান্য রাজ্যগুলোর অবস্থাও বিহারের থেকে খুব একটা আলাদা কিছুই নয়। তাহলে এই ধরনের কাগজ জমা দিতে জনগণকে বাধ্য করার মানেটা কী? মানে একটাই – কাগজ না থাকার অজুহাতে একটা বিরাট সংখ্যক জনগণের ভোটাধিকার হরণ করা এবং এইভাবে SIR-এর ছদ্মবেশ দেশজোড়া NRC করে জনগণকে বেনাগরিক ঘোষণা করার পথ প্রশস্ত করা। মোদী সরকার খুব ভালোভাবেই জানে যে দেশবাসীর জন্য তারা কিছুই করেনি, বরং কর্পোরেট বন্ধুদের স্বার্থ রক্ষা করতে করতে দেশের অর্থনীতি তথা সাধারণ জনগণকে খাদের কিনারায় এনে দাঁড় করিয়েছে তারা। জনগণের অসন্তোষ রোধ করতে তাদের দৃষ্টি ঘুরিয়ে দেওয়ার জন্য বারংবার পুলওয়ামা-পেহলগাঁও থেকে শুরু করে অধোধ্যা-মথুরা-কাশী অনেক কিছুই করতে হচ্ছে। কিন্তু আগের মতো আর জনগণকে বাগে আনতে পারা যাচ্ছে না; কখনও লাদাখের ব্যাপক জনগণ, কখনও খোদ উত্তরপ্রদেশের ছাত্রসমাজ বিদ্রোহ করে উঠছে। আবার পুরোপুরি ফ্যাসিস্ট ঢঙে বিদ্রোহ দমন করতে গেলে সেটা যে হিতে বিপরীতও পারে তার হাতেগরম উদাহরণ ঘরের কাছে শ্রীলঙ্কা-বাংলাদেশ-নেপালেই পাওয়া গেছে। তাই লজ্জা নিবারণের শেষ বস্ত্রটুকু খুলে, একেবারে নগ্ন হয়ে গিয়ে, এবার নির্বাচন কমিশনকে কাজে লাগিয়ে দিনে-দুপুরে ভোট চুড়ি থেকে শুরু করে ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়ার রাস্তায় নামতে হয়েছে! বিরোধী দলগুলো অনেকদিন ধরেই SIR-এর বিরুদ্ধে চেঁচামেচি করছে বটে, তবে তাদেরকে জিজ্ঞেস করা দরকার যে – ২০০৩ সালের নাগরিকত্ব আইন সংশোধনের সময়, NRC সংক্রান্ত সিদ্ধান্তের সময় তাদের ভূমিকা ঠিক কী ছিল? এই প্রশ্নটা করলেই তাদের জনদরদী মুখোশটা খুলে যায়। তাই ঘুণাক্ষরেও এদের ভাঁওতাবাজিতে ভুলবেন না। বরং অতীতের NRC-CAA-NPR-বিরোধী ব্যাপক গণ-আন্দোলনের মতো SIR-বিরোধী গণ-আন্দোলন গড়ে তোলা প্রয়োজন; নইলে রাজ্যবাসী নিশ্চিতভাবে সীমাহীন দুর্দশার মুখে পড়বেন। ইতিমধ্যেই পশ্চিমবঙ্গ সরকারের নির্দেশে রাজ্যের NRC-বিরোধী রাজনৈতিক কর্মীদের ফেসবুক প্রোফাইলে তালা লাগানো শুরু হয়ে গেছে, বিভিন্ন ফেসবুক পেজ-ও সেন্সরশিপের শিকার হচ্ছে। বোঝাই যাচ্ছে যে গত ২৫-এ অক্টোবর কলকাতায় বিভিন্ন গণ-সংগঠনের ডাকা যৌথ মিছিলে বিপুল মানুষের জমায়েত দেখে শাসক শ্রেণী ভয় পেয়েছে। অতএব, রাজ্যে SIR-বিরোধী ব্যাপক গণ-আন্দোলন গড়ে তোলার সমস্ত প্রচেষ্টার সাথে যুক্ত হন; জনগণকে বেনাগরিক করার এই চক্রান্তকে পরাস্ত করুন।
কভার ফটো সৌজন্যে – https://thefederal.com/category/politics/bihar-storm-yet-to-settle-mega-political-squall-brews-with-ecs-pan-india-sir-drive-213490 [Retrieved On: 30/10/2025]
