‘অভয়া’র ন্যায় বিচারের লড়াইকে এগিয়ে নিয়ে চলুন

‘অভয়া’র ন্যায় বিচারের লড়াইকে এগিয়ে নিয়ে যেতে –

স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে বেসরকারি অংশীদারীত্ব বন্ধ করার দাবি জানান।
সার্বজনীন গণস্বাস্থ্য ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য লড়াইকে শক্তিশালী করুন।

‘অভয়া’র নৃশংস ধর্ষণ এবং খুনের ঘটনা যে এক বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের অংশ, তা আজ দিনের আলোর মতো পরিষ্কার। স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে, বিশেষ করে সরকারি হাসপাতাল ও মেডিক্যাল কলেজগুলোতে যে ধরনের দুর্নীতি বিগত কয়েক দশক ধরে চলে আসছে, তারই কারণে ‘অভয়া’কে প্রাণ দিতে হয়েছে। সরকারি স্বাস্থ্য ব্যবস্থার দুর্নীতির বিরুদ্ধে জুনিয়র চিকিৎসকদের নেতৃত্বে চলমান আন্দোলন এবং সেই আন্দোলনের প্রতি চিকিৎসক সমাজ ও ব্যাপক অংশের জনগণের সমর্থন অবশ্যই এক আশার‌ আলো দেখাচ্ছে। এই আন্দোলন মমতা ব্যানার্জি নেতৃত্বাধীন তৃণমূল সরকারের অমানবিক চরিত্রকে সম্পূর্ণরূপে উন্মোচিত করে দিয়েছে। যে ১০ দফা ন্যায্য দাবিকে জুনিয়র ডাক্তাররা সামনে রেখেছে তার মধ্যে দিয়ে এই আন্দোলন একদিকে যেমন চিকিৎসক ও স্বাস্থ্য কর্মীদের নিরাপত্তার প্রশ্নটিকে তুলে ধরতে পেরেছে, তেমনি সরকারি স্বাস্থ্য ব্যবস্থার দুর্দশাময় পরিস্থিতির পরিবর্তনের দাবিকেও তুলে ধরতে সক্ষম হয়েছে। সরকারি স্বাস্থ্য পরিষেবায় স্বচ্ছতা আনার এই যে দাবি তা নিশ্চিতভাবেই সরকারি স্বাস্থ্য পরিষেবা গ্রহণ করে থাকা জনগণের পরিষেবা পাওয়ার মানকে একটা মাত্রা পর্যন্ত উন্নত করতে পারবে বলে আশা করা যায়।

কিন্তু শুধু এটুকুই যথেষ্ট নয়। সমস্ত মানুষের কাছে বিনামূল্যে উন্নত মানের স্বাস্থ্য পরিষেবা পৌঁছে দেওয়া এবং স্বাস্থ্য পরিষেবাকে মৌলিক মানবাধিকার হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার দাবিকে জোরদার করার জন্য আমাদেরকে অতি অবশ্যই বেসরকারি স্বাস্থ্য ব্যবস্থা এবং তার সাথে সংযুক্ত দুর্নীতির বিরোধিতা করতে হবে, যেগুলোর জন্য কর্পোরেট এবং সরকার সমানভাবে দায়ী। সরকারি স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে দুর্নীতি মুক্ত করতে হলে এমন এক শক্তিশালী গণস্বাস্থ্য ব্যবস্থা গড়ে তোলার দাবি জানাতে হবে যেখানে রাজ্যের প্রত্যেকটি মানুষ যেকোনও জেলা, মহকুমা বা রাজ্য স্তরের হাসপাতালে সর্বোচ্চ মানের চিকিৎসা পাবেন। জনগণ তাদের সোনা-দানা, বাড়িঘর বিক্রি করে বা বন্ধক দিয়ে বেসরকারি হাসপাতালে ছুটতে বাধ্য হয় তাদের প্রিয়জনকে বাঁচানোর আশায়। এই পরিস্থিতিতে আমাদের উচিত রাজ্য এবং কেন্দ্রীয় সরকারকে সমানভাবে নিশানা করা, যারা সরকারি স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে ধ্বংস করার জন্য একই পথে হাঁটছে এবং বেসরকারি ব্যবসায়ীদের মুনাফা লোটার রাস্তা করে দিচ্ছে।

ভারতের স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় বেসরকারি অংশীদারীত্বের পরিমাণ বিশ্বের মধ্যে অন্যতম বৃহৎ, আর সরকারি বিনিয়োগ সেই তুলনায় নগণ্য মাত্র। স্বাস্থ্য খাতে কেন্দ্র এবং রাজ্য সরকারগুলির যৌথ খরচের পরিমাণ আমাদের দেশের জিডিপি-র মাত্র এক শতাংশের আশেপাশে। বিজেপি নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় সরকারের স্বাস্থ্য নীতিতে বলা হয়েছিল যে এই খরচের পরিমাণ বৃদ্ধি করে ২০২৫ সালের মধ্যে জিডিপির ২.৫% করা হবে, কিন্তু এখনো অবধি এটা দাঁড়িয়ে আছে জিডিপির ১.৯%-তে। গত দুই দশক ধরে স্বাস্থ্য খাতে সরকারি বরাদ্দ জিডিপির ১%-র কিছু বেশিতেই আটকে রয়েছে, যার কারণে স্বাস্থ্য খাতে সরকারি বরাদ্দের নিরীখে ভারতের স্থান হলো বিশ্বের সর্বনিম্ন পাঁচটি দেশের মধ্যে। অর্থাৎ এটা পরিষ্কার যে এইভাবে আমাদের দেশের সরকারগুলি পরিকল্পিতভাবে সরকারি স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে একটা অকার্যকর ও দুর্দশাময় অবস্থায় ফেলে রেখেছে এবং ধীরে ধীরে বেসরকারি স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে বেড়ে উঠতে সাহায্য করেছে। কেন্দ্রীয় সরকার বৃহৎ ওষুধ কোম্পানিগুলোর চাপের কাছে সম্পূর্ণ আত্মসমর্পণ করে ৮০০-রও বেশি ওষুধের (যার মধ্যে জীবনদায়ী ওষুধ এবং জরুরী চিকিৎসা যেমন এনজিওপ্লাস্টি ও ডায়ালিসিস-এর জন্য প্রয়োজনীয় উপকরণও রয়েছে) দাম ১০%-এরও বেশি বৃদ্ধিতে সম্মতি দিয়েছে এই বছর এপ্রিল মাসে। সম্প্রতি আবার অ্যাস্থমা, গ্লুকোমা, থ্যালাসেমিয়া, যক্ষ্মা ও মানসিক অসুস্থতার ওষুধ সহ আটটি অবশ্য প্রয়োজনীয় ওষুধের দাম অন্তত ৫০% বা তারও বেশি বৃদ্ধিতে অনুমোদন দিয়েছে কেন্দ্র। বহুজাতিক কোম্পানিগুলো তাদের পেটেন্ট নেওয়া পণ্যের জন্য মাত্রাতিরিক্ত দাম ধার্য করছে। ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, ফুসফুসের অসুখ এবং ক্যান্সার আক্রান্ত রোগীরা, যাদের সারা জীবন ধরে ওষুধ খেতে হয় তারা ওষুধের এই মূল্যবৃদ্ধিতে ভীষণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।

আমরা যদি পশ্চিমবঙ্গের দিকে তাকাই তাহলে আমরা দেখতে পাবো যে মমতা ব্যানার্জীর নেতৃত্বাধীন সরকারের স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে গৃহীত নীতিগুলি কোনওভাবেই জাতীয় স্বাস্থ্য নীতি ২০১৭-এর থেকে আলাদা কিছু নয়। জাতীয় স্বাস্থ্য নীতি ২০১৭-এর লক্ষ্য ছিল ‘জনস্বাস্থ্যের লক্ষ্যগুলো পূরণের জন্য বেসরকারি স্বাস্থ্য ক্ষেত্রের বৃদ্ধি ঘটানো’ এবং ‘স্বাস্থ্য পরিকাঠামোকে আরো কার্যকরী, দক্ষ, যুক্তিসঙ্গত, নিরাপদ, কম ব্যয়সাপেক্ষ এবং নীতিনিষ্ঠ করে তোলবার জন্য বেসরকারি কোম্পানিগুলির অংশগ্রহণ’। পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান সরকার পূর্বতন বামফ্রন্ট সরকারের পথ অনুসরণ করেই পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ মডেলকে চ্যাম্পিয়ন করবার চেষ্টা করছে, যার লক্ষ্য হলো সরকারি স্বাস্থ্য ক্ষেত্রকে ধাপে ধাপে বেসরকারিকরণ করা এবং স্বাস্থ্য বাজেটের আশি শতাংশ বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছ থেকে বিনিয়োগ হিসেবে আগামী এক দশকের মধ্যে সংগ্রহ করা। আমরা জানি যে বিগত বামফ্রন্ট সরকারের আমলে কিভাবে যাদবপুরে ২০০ বিঘা জমির উপর অবস্থিত টিবি হাসপাতালের জমি মাত্র এক টাকার বিনিময়ে একটি বেসরকারি গ্রুপকে লিজ দেওয়া হয় বেসরকারি মেডিকেল কলেজ স্থাপনের জন্য! ঘটনাচক্রে এটাই পশ্চিমবঙ্গের প্রথম বেসরকারি মেডিকেল কলেজ ছিল এবং বর্তমানে এই কলেজটি বিভিন্ন ধরনের বেআইনি লেনদেন, ক্যাপিটেশন ফি আদায় করা ও ছাত্র ভর্তির ক্ষেত্রে বিভিন্ন ধরনের অনৈতিক কার্যকলাপ চালানোর বিষয়ে ‘সুনাম’ অর্জন করেছে। পাশাপাশি এই কলেজের পড়াশোনার মান নিয়েও যথেষ্ট প্রশ্ন রয়েছে। ঐ হাসপাতালের চিকিৎসকদের প্রতি যথেষ্ট সম্মান রেখেও প্রশ্ন রয়েছে যে, এই মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে যেসকল রোগী ভর্তি হন তারা কি আদৌ উপযুক্ত মানের চিকিৎসা পরিষেবা পান? যদিও এই হাসপাতাল যথেষ্ট মাত্রায় চিকিৎসা খরচ ধার্য করার বিষয়ে পারদর্শী হয়ে উঠেছে এবং উপযুক্ত চ্যানেলে না আসলে এই হাসপাতালে স্বাস্থ্য সাথী কার্ডে রোগী ভর্তি নেওয়া হয় না বলেও অভিযোগ শোনা যায়। এই কথাগুলো অন্য সমস্ত বেসরকারি হাসপাতালগুলোর ক্ষেত্রেও আরও বেশি করে সত্যি। বিভিন্ন ক্ষেত্রেই সরকার পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ মডেলকে চালাতে চাইছে। সাম্প্রতিক সময় আমরা দেখেছি যে মমতা সরকার বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালগুলোতে জেনেরিক ওষুধের ব্যবহার শুরু করতে চাইছে, কিন্তু সেগুলি করা হয়েছে ওই পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ মডেলে ৩২-টা ন্যায্য মূল্যের ওষুধের দোকান খোলার মধ্য দিয়ে।

আমরা মনে করি যে পশ্চিমবঙ্গে সরকারি স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে ধীরে ধীরে এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে পঙ্গু করে দেওয়া হচ্ছে, যাতে বেসরকারি স্বাস্থ্য ব্যবস্থার ব্যবসায় একটা বড় বৃদ্ধি ঘটে। গোটা রাজ্য জুড়ে স্বাস্থ্য পরিষেবা দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে শুধু উঁচু উঁচু বিল্ডিং তৈরি করলেই সরকারি স্বাস্থ্য পরিষেবার মানের উন্নতি ঘটে না। তার জন্য সেখানে যথাযথ পরিকাঠামো এবং চিকিৎসক স্বাস্থ্যকর্মী ইত্যাদি নিয়োগ করতে হয়। অন্যদিকে বেসরকারি হাসপাতাল, নার্সিংহোম, ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক সেন্টার ইত্যাদিতে বিনিয়োগ করা এখন এক বিশাল লাভজনক ব্যবসা হিসেবে সামনে আসছে। সাথে সাথে অনৈতিক এবং দুর্নীতিগ্রস্ত বিভিন্ন পদ্ধতি যেমন – ভুয়ো বিল তৈরি করা, অপ্রয়োজনে বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করানো, বিনা কারণে আইসিইউ, ভেন্টিলেটরে রোগীকে ঢুকিয়ে দেওয়া ইত্যাদি এখন বেসরকারি হাসপাতালগুলোর দৈনন্দিন কার্যকলাপে পরিণত হয়েছে, আর এগুলো সম্পর্কে সাধারণ মানুষও খুব ভালোভাবে ওয়াকিবহাল। এই সকল দুর্নীতিগ্রস্ত কার্যকলাপের বিরুদ্ধে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া এবং ক্লিনিকাল এস্টাব্লিসমেন্ট অ্যাক্ট-এর যথাযথ রূপায়ণের বিষয়ে সরকার অনিচ্ছুক। বরং মনিপাল-এর মতো বড় বড় কর্পোরেটদেরকে সরকার আহ্বান জানাচ্ছে যাতে তারা কলকাতা এবং মফস্বল এলাকার বেসরকারি হাসপাতালগুলোকে কিনে নিয়ে নিজেদের একচ্ছত্র ব্যবসা প্রতিষ্ঠা করে। সরকার যদি সত্যিই জনগণের কথা ভেবে স্বাস্থ্য নীতি তৈরি করত তাহলে স্বাস্থ্য খাতে বাজেট বৃদ্ধি, সরকারি স্বাস্থ্য ব্যবস্থার পরিকাঠামোর উন্নয়ন, নতুন নতুন সরকারি হাসপাতাল আর মেডিক্যাল কলেজ তৈরি করা, পর্যাপ্ত পরিমাণে ডাক্তার-নার্সের জোগান দেওয়া ইত্যাদি বিষয়গুলোর উপর জোর দিত। তাই এই অবস্থায় যথোপযুক্ত পরিকাঠামো এবং পর্যাপ্ত সংখ্যক মানব সম্পদ নিয়োজিত একটা শক্তিশালী সরকারি স্বাস্থ্য ব্যবস্থা গড়ে তোলার দাবিকে বাস্তবায়িত করতে গেলে একই সাথে বেসরকারি স্বাস্থ্য ব্যবস্থার বিরোধিতাও করতে হবে। আমরা আপনাদের কাছে আহ্বান জানাচ্ছি যে নিম্নলিখিত দাবিগুলোতে যদি আন্দোলনকে শক্তিশালী করা যায়, তাহলে সেই আন্দোলন প্রকৃত অর্থে সাধারণ মানুষের স্বার্থ রক্ষাকারী এক স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে সুনিশ্চিত করতে পারবে এবং সেই আন্দোলনের মেরুকরণটাও স্পষ্ট হবে – এক পক্ষে সরকার থাকবে, আর অন্য পক্ষে দাঁড়াবে সমগ্র জনগণ। আমাদের দাবি –

  • ১) স্বাস্থ্য খাতে জিডিপির অন্ততপক্ষে ৬% বরাদ্দ করতে হবে।
  • ২) যথোপযুক্ত পরিকাঠামো, মানব সম্পদ এবং অন্যান্য আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সহ সরকারি হাসপাতাল, মেডিকেল কলেজ এবং স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানগুলোর মান উন্নয়ন করে এক সার্বজনীন শক্তিশালী সরকারী স্বাস্থ্য ব্যবস্থা গড়ে তোলবার জন্য সমস্ত ধরনের পদক্ষেপ নিতে হবে।
  • ৩) কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকারকে কর্পোরেট এবং মুনাফা লোভী বেসরকারি হাসপাতালগুলোকে সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার সমস্ত নীতিকে বাতিল করতে হবে।
  • ৪) সরকারি ওষুধ কোম্পানি ও ফ্যাক্টরিগুলোকে শক্তিশালী করতে হবে এবং সেগুলোকে প্রয়োজনীয় অর্থনৈতিক সহযোগিতা প্রদান করতে হবে।
  • ৫) সমস্ত জরুরী ওষুধের ক্ষেত্রে সরকারকে মূল্য নিয়ন্ত্রণ করতে হবে, ন্যায্য মূল্যের ওষুধের দোকানের মারফত ওষুধপত্র ও চিকিৎসা উপকরণকে স্বল্পমূল্যে প্রদান করবার ব্যবস্থা করতে হবে।
  • ৬) পেটেন্টজাত সমস্ত জরুরী ও দামি ওষুধের ক্ষেত্রে বাধ্যতামূলক লাইসেন্সিং ব্যবস্থা চালু করতে হবে যাতে সেগুলো স্বল্প মূল্যে সাধারণ মানুষের জন্য বরাদ্দ করা যায়।
  • ৭) সরকারি হাসপাতালগুলোতে জেনেরিক মেডিসিন  প্রেসক্রিপশনে লিখতে হবে এবং ন্যায্য মূল্যের দোকানের মাধ্যমে সেগুলি যাতে পাওয়া যায় তা সুনিশ্চিত করতে হবে।
  • ৮) স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় সমস্ত ধরনের পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ মডেল বাতিল করতে হবে।
  • ৯) যতদিন না বেসরকারি চিকিৎসা ব্যবস্থার অবসান ঘটছে এবং সার্বজনীন বিনামূল্যে চিকিৎসা শুরু হচ্ছে, ততদিন সমস্ত সরকারি ও বেসরকারি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে স্বাস্থ্য সাথী কার্ডের সম্পূর্ণ সুবিধা সমস্ত জনগণকে দিতে হবে।

সংগ্রামী অভিনন্দন সহ
আজাদ গণ মোর্চা

Leave a Reply