পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী,
ডিপার্টমেন্ট অফ সিএমও,
ব্র্যাঞ্চ সেক্রেটারিয়াত,
উত্তরকন্যা,
জলপাইগুড়ি
বিষয় – নিম্নলিখিত দাবিতে মেমোরান্ডাম জমা
তারিখ – ১৭-ই এপ্রিল, ২০২৩
ম্যাডাম,
যথাযথ সম্মানের সাথে আমরা রাজবন্দীমুক্তি কমিটি, নর্থ বেঙ্গল-এর সদস্যরা নিম্নলিখিত দাবিসনদ জমা করছি। দয়া করে আপনি এই দাবিগুলো বিবেচনা করে দেখবেন এবং শীঘ্র সমাধানের চেষ্টা করবেন।
১) পশ্চিমবঙ্গের সকল জেলে সমস্ত রাজনৈতিক বন্দীদের (যাঁরা জেলে আছেন) রাজনৈতিক মর্যাদার ব্যবস্থা করতে হবে।
২) প্রাক্তন রাজবন্দী, যাঁরা ৭০-এর দশকে অনেক দিন ধরে, অনেক বছর ধরে জেলে ছিলেন, যত শীঘ্র সম্ভব তাঁদের মাসিক পেনসনের ব্যবস্থা করতে হবে।
৩) কেএলও, কেপিপি, জেসিপিএ, এবং মাওবাদী হিসাবে ২০০১ সাল থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত যেসমস্ত রাজনৈতিক বন্দীরা জেলে ছিলেন তাঁদের মধ্যে চাকরি করতে ইচ্ছুকদের জন্য স্থায়ী চাকরির ব্যবস্থা করা।
৪) জলপাইগুড়ি প্লেনঘাঁটি এলাকার কৃষকরা যাঁরা ২০ একর জমিতে নিজেদের বাড়ি বানিয়ে গত ৪০ বছর ধরে বসবাস করছেন তাঁরা এখন জমির পাট্টা পাননি। সেই পাট্টাগুলো যেন অবশ্যই তাঁদের দেওয়া হয়।
৫) উত্তর বঙ্গের অধিকাংশ কৃষি জমিতে সেচব্যবস্থা নেই। সেখানে অবশ্যই সেচ কাজের ব্যবস্থা করতে হবে।
৬) অনেক হিমঘর থাকা সত্ত্বেও শস্য সংরক্ষণের জন্য আমাদের উত্তর বঙ্গে কৃষকদের দুর্ভোগ সহ্য করতে হচ্ছে। আরও অনেক হিমঘর তৈরি করতে হবে।
৭) আমাদের উত্তর বঙ্গে আদিবাসীদের সংখ্যা প্রচুর। কিন্তু এখনও তাঁদের কোনো এসটি সার্টিফিকেট নেই। এই বিষয়ে যত শীঘ্র সম্ভব আপনাকে নজর দিতে হবে।
৮) উত্তর বঙ্গের অধিকাংশ প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে কোনো ডাক্তার নেই, কোনো দরকারি ওষুধ নেই। এই ব্যাপারে আপনার অফিসের নজর দেওয়া উচিত।
৯) গোটা উত্তর বঙ্গ জুড়ে বিরাট সংখ্যক শিক্ষিত ও লেখাপড়া না জানা তরুণ-তরুণী বেকার। এই বিষয়ে আপনার অফিসের চিন্তাভাবনা করা উচিত।
ধন্যবাদান্তে,
আপনার বিশ্বস্ত
সরোজ কুমার ঘোষ
রাজবন্দীমুক্তি কমিটি, নর্থ বেঙ্গল-এর তরফে


