আমাদের দেশে বায়োমেট্রিক ব্যবহার করে ব্যক্তি শনাক্তকরণ লাগু হয় আধার চালু হওয়ার পর। আমাদের শরীরের কিছু অংশের মাপজোক আছে যেমন আঙ্গুলের ছাপ, চোখের মনির দৈর্ঘ্য ইত্যাদি যা ব্যক্তি বিশেষে নির্দিষ্ট, মানুষ ভেদে পরিবর্তিত হয়। এগুলিকে বায়োমেট্রিক পরিমাপ বলা হয়। ফলতঃ নির্দিষ্ট বায়োমেট্রিক তথ্য জানা থাকলে ব্যক্তিকে শনাক্ত করা অনেক বেশি সহজ এবং নির্ভুল হয়ে যায়। আধার নাম্বারের মারফৎ বায়োমেট্রিকের তথ্য সংগ্রহ এবং জমা রাখার কাজ শুরু হয়েছে আমাদের দেশে। আধারের পক্ষে যুক্তি ছিল দেশে বসবাসকারী যে কোনো মানুষের পরিচয় দেওয়ার কাজ অনেক সহজ হয়ে গেলে বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় সুযোগ সুবিধা বিলি বন্টনের সুবিধা হবে। তেমনি অপরাধ নিয়ন্ত্রন এবং প্রতিরোধ দক্ষতার সাথে করা যাবে। শুরুতে বলা হয়েছিল আধার ঐচ্ছিক। পরে দেখা গেলো জীবন যাপনের প্রতিটা ক্ষেত্রেই আধার বাধ্যতামূলক। ব্যাঙ্ক থেকে রেশন কার্ড, শিক্ষা থেকে স্বাস্থ্য পরিষেবা প্রত্যেক জায়গাতেই ব্যক্তি পরিচয় আধার দিয়ে নির্ধারণ করার প্রক্রিয়া চালু হলো। পরিস্থিতি এমন সৃষ্টি করা হলো যাতে করে আধার আর ঐচ্ছিক রইল না, আধার থাকার শর্তে ন্যূনতম নাগরিক সুবিধা পাওয়া যাবে, নইলে কোন কিছুই নাগরিক আওতায় থাকবে না।
প্রশ্ন হল কেন আধার? কেন এই বিপুল বায়োমেট্রিক তথ্যপঞ্জী সংরক্ষণ? পরিষেবা বন্টনের জন্য নাগরিক শনাক্তকরণে এতো গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে কেন? সহজ যুক্তিতে, যারা ভারতে বাস করে তারা প্রত্যেকেই যাবতীয় সরকারি সুযোগ, পরিষেবা পাওয়ার ভাগীদার হওয়ার কথা। আমরা যদি কালক্রম হিসেব করতে বসি, দেখবো আধার ঘুরপথে বাধ্যতামূলক করার পরে পরেই নাগরিক পঞ্জী বা যাকে আমরা এনআরসি বলি তা কার্যকরী করার জন্য রাষ্ট্র পদক্ষেপ নিয়েছে। নাগরিক চিহ্নিত করার প্রক্রিয়ার নামে বিভিন্ন বৈষম্যমূলক আইন লাগু করা তো বটেই, সম্প্রদায়ের মধ্যে বিরোধ উস্কে দিয়ে সামাজিক কাঠামোর স্থিতিকে টালমাটাল করে দিয়েছে। রাজনৈতিক ভাবে বিজেপি সরকার তার প্রচারিত প্রতিক্রিয়াশীল ও ফ্যাসীবাদী হিন্দু রাষ্ট্রের মডেল চালু করবার দিকে এক ধাপ এগিয়েছে। তার জন্য আধার বা বায়োমেট্রিক শনাক্তকরণ প্রক্রিয়া তার কাছে শক্তিশালী অস্ত্র। আধার বা এই ধরনের আইন পরবর্তীকালে মানুষের বিরুদ্ধে বিপজ্জনক হয়ে দাঁড়াতে পারে, মূলতঃ দুই ভাবে। প্রথমত, যারাই বিজেপির দমনমূলক রাজনীতি কিংবা বিভেদনীতির বিরুদ্ধে কথা বলবে তাদের দ্রুত চিহ্নিতকরণ করা সম্ভব। এবং প্রসঙ্গত আমরা স্পষ্টই বুঝছি বিজেপি সরকারের অর্থনীতি আপাত ভাবে পরস্পর বিরোধী মনে হলেও আসলে তা আদানী-আম্বানী-টাটার মতো বড় মুনাফাখোরদের দালালি করছে, তাদের পেছনে থেকে রাষ্ট্রীয় ভাবে সুবিধে করে দিচ্ছে দুনিয়ার বাজারে দাঁড়াবার জন্য। এবং এর জন্য তার অভ্যন্তরীণ রাষ্ট্রীয় নীতিকে হতে হচ্ছে মাত্রাছাড়া রকমের বৈষম্যমূলক এবং অর্থনৈতিক শোষণের ওপর নির্ভরশীল। এই ধরনের সরকারি নীতির যারা প্রকাশ্য এবং অপ্রকাশ্য ভাবে বিরোধিতায় সামিল তাদের ওপর নজরদারী চালানো, প্রয়োজনে ভয় দেখিয়ে নিরস্ত করা ও অন্যান্য জনবিরোধী আইনকে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োগ করে জীবন দুর্বিষহ করা বিজেপি সরকারের জন্য প্রয়োজন। প্রয়োজন বুঝে পিষে ফেলার জন্য আধার অন্যতম একটি হাতিয়ার।
দ্বিতীয়ত, ব্যাক্তি মানুষের কিছু মৌলিক অধিকার আছে যা প্রতিটা গনতান্ত্রিক দেশে স্বীকৃত। ব্যাক্তির গোপনীয়তার ওপর অধিকার, ব্যক্তিস্বাধীনতা রাষ্ট্রের কাছে অলঙ্ঘ্য হিসেবে বিবেচিত হয়, কারণ তা এগিয়ে থাকা মানব সভ্যতার ধারক। আধারের ফলে বিপুল বায়োমেট্রিক তথ্য যে ভাবে সংগৃহীত হচ্ছে, ব্যক্তি অধিকার তাতে সংরক্ষিত হবে, এমনটা ঠিক নিশ্চিত হয়ে বলা যায় না। যেহেতু আমাদের দেশে তথ্য রক্ষা আইন সেভাবে মজবুত নয়, মাঝে মধ্যেই তথ্য চুরি এবং খোলা বাজারে ব্যক্তিগত তথ্য বিক্রি বাটোয়ারা হয়। সরকারের পক্ষে তথ্যসুরক্ষায় গাফিলতি অনেক সময়ই মেরামত করা মুস্কিল। যেহেতু তথ্য সংরক্ষণের ভার বেসরকারি হাতে রাখা হয়েছে, তা সম্ভবও নয়। এমনকি অনেক সময় সরকারের নিজের প্রয়োজনেও ব্যক্তিগত তথ্য ব্যক্তির বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করার নজির রয়েছে। ফলে ব্যক্তির ওপর সার্বিক নজরদারী তো বটেই, অতীত এবং বর্তমানে পুলিশ রাষ্ট্র বহুবার নিজের নাগরিকদের বিরুদ্ধে এবং বাজারী প্রয়োজনে তা ব্যবহার করেছে, এমন উদাহরণও প্রচুর।
এছাড়াও রয়েছে আরও কিছু আইন কানুন নির্দেশাবলী যেগুলি আধারের সহযোগী। যেমন, অপরাধী শনাক্তকরণ বিল (২০২২)। ব্রিটিশ শাসনকালে লাগু হওয়া আইনকে প্রতিস্থাপিত করে বায়োমেট্রিক প্রয়োগে আরও দমনমূলক আইন হলো এই অপরাধী শনাক্তকরণ বিল (২০২২)। আগেই পুরনো আইনে যারা অপরাধী হিসেবে এক বছরের বেশি সাজা প্রাপ্ত বা বিচারাধীন তাদের হাত পায়ের ছাপ এবং ছবি সংগ্রহ করা হতো। নতুন আইনে যে কোনো গ্রেফতার বা পুলিশ হেফাজতে বন্দী হওয়া ব্যক্তির বায়োমেট্রিক সহ জৈবিক স্যাম্পল নেওয়া হবে, দরকারে ডিএনএ চিহ্নিতকরন হতে পারে, শারীরবৃত্তীয় মাপজোক ছাড়াও আচরণগত বৈশিষ্ট্য লিপিবন্ধ করা হবে। সাত বছরের বেশী সাজা পেয়েছে এমন ব্যক্তির থেকে বলপূর্বক পরিমাপ নেওয়ার ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। শুধু সাজাপ্রাপ্ত অপরাধী বা গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিই নন, নতুন আইনের আওতায় এলো সরকারি ধারণা অনুসারে এমন ব্যক্তি যিনি ভবিষ্যতে অপরাধ করতে পারেন, এবং গ্রেফতার করা হয়নি কিন্তু তদন্তে সাহায্য করতে পারেন এমন ব্যক্তিরাও। থানার কনস্টেবল এবং জেলের ওয়ার্ডেনকে শনাক্তকরণের প্রয়োজনে তথ্যাবলী আদায় করার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। আগে ম্যাজিস্ট্রেট ছাড়া তথ্য আদায়ের নির্দেশ দিতে পারতেন না কেউই, এখন দায়িত্বপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট থেকে তার অধস্তন কার্যকরী ম্যাজিস্ট্রেটও অনুমতি দিতে পারবেন। এবং প্রাপ্ত তথ্য ৭৫ বছর অবধি রাষ্ট্র সংরক্ষণ করবে।
তাহলে ব্যাপারটা দাঁড়ালো যে, সুপ্রিম কোর্ট ২০১৭ সালে সমস্ত নাগরিক, এমনকি জেল বন্দীদেরও মৌলিক অধিকার রক্ষার পক্ষে স্পষ্ট সওয়াল করলেও কার্যত নয়া কানুনের আওতায় তা ২০২২ সালে এসে বাতিল হলো। ব্যক্তিমানুষের মর্যাদার মাপকাঠি হলো তার নিজ শরীরের ওপর অধিকার, গোপনীয়তার অধিকার এবং আমাদের দেশের সংবিধানে তা স্পষ্টই উল্লেখিত। যেকোনো আইনের ধ্বজাধারীর হাতে যেভাবে মৌলিক নাগরিক অধিকারগুলিকে লঙ্ঘন করার ক্ষমতা দেওয়া হলো, আমরা সন্দেহাতীত ভাবে আন্দাজ করতে পারি রাষ্ট্র তার নাগরিকদের মর্যাদা রক্ষার ব্যপারে কতটা দায়হীন। রাষ্ট্র অপরাধ নিবারণের নামে প্রচুর মানুষের হাত চোখের ছাপ-টাপ নিল, তাকে জমিয়ে রাখল, আইন তৈরি করল, কিন্তু কার্যত সেইসব তথ্য সুরক্ষিত রাখার মত আইনি ও প্রযুক্তিগত পরিকাঠামো যে নেই তা আগেই উল্লেখ করা হয়েছে। আসলে রাষ্ট্রের প্রয়োজন নজরদারীর আওতায় সম্ভাব্য ব্যক্তিদের নিয়ে আসা এবং তাদের আগামী কার্যকলাপ আন্দাজ করে সরকার বিরোধিতা, গণ- অসন্তোষ কে পুলিস আর্মি দিয়ে মাটিতে পিষে দেওয়া। সেই জন্যই আধার, সেই জন্যই অপরাধী শনাক্তকরণ বিল (২০২২)।
মনে হতেই পারে, এই সব সরকারি তোড়জোড় বুঝি শুধু বেআইনি সরকার বিরোধী আন্দোলনকেই প্রতিহত করবার জন্য। অবশ্য আমরা ৪৭ পরবর্তী প্রত্যেক ক্ষমতাসীন দলের ক্ষেত্রেই দেখেছি যে আর্থ-রাজনৈতিক সমস্যার মূলে না গিয়ে রাষ্ট্রের বিপুল ক্ষমতার বুলডোজারে বিরোধী অবস্থানকে পিষে ফেলার একটা প্রবণতা তাদের রয়েছে। এবং তার জন্য আদৌ কোনো আইনি বা বেআইনি রাজনৈতিক পরিচয় নির্ধারক নয়। আইনের মাধ্যমে এক গুচ্ছ আদেশ এবং নিষেধাবলী চাপিয়ে এযাবৎ সরকারি নীতিই হলো রোগের চিহ্নকে মুছে দেওয়া, গোড়ার সমস্যাকে সমাধান করা নয়। এর জন্য আবশ্যিক ভাবে রাজনৈতিক অভিমুখ বিচার্য। প্রশ্ন করা প্রয়োজন আমাদের মতো জাতপাত, শ্রেণী, ধর্মের বিভেদে জীর্ণ দেশে রাষ্ট্রের মূল কাজ কি হওয়া উচিৎ ছিল, পুরনো বহু দমনমূলক ব্রিটিশ আইনকে ৪৭-এর পরেও অপরিবর্তিত রেখে বা তাকে আরও জনবিরোধী রূপ দিয়ে নিজের নাগরিকদের ন্যুনতম প্ৰশ্ন এবং বিরোধিতা করবার অধিকার ক্ষুণ্ণ করার পেছনে আসল উদ্দেশ্যগুলি কি। প্রাসঙ্গিক ভাবে আসে কংগ্রেস আমলে পাশ হওয়া বিবিধ জনস্বার্থ বিরুদ্ধ দমন-পীড়ক আইন। প্রবল অগণতান্ত্রিক ইউএপিএ-সহ এর পূর্বসূরি সবকটা আইনই হয় ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের স্বার্থে বা কংগ্রেসের আড়ালে থাকা দমন নীতির অংশ। বিজেপি আমলে আড়াল ঘুচল। প্রকাশ্যেই দমন চলল, সামাজিক-সাংস্কৃতিক ভাবে কখনও বয়কটের পরিস্থিতি সৃষ্টি করা হলো, কখনও বা আইন চাপিয়ে একেবারে মূলধারার সমাজের বাইরে জেলের কুঠুরিতে স্থান দেওয়া হলো বিরোধীদের।
শুধু বায়োমেট্রিক দিয়ে তথাকথিত দেশদ্রোহী বলে দাগিয়ে দেওয়া স্বাধীন চিন্তাসম্পন্ন ব্যক্তির গতিবিধি অনুসরণ এবং নিয়ন্ত্রণ নয়, কংগ্রেস আমলেই লাগু হওয়া বিভিন্ন নিপীড়ক আইনকে সাংবিধানিক বিরোধী দলগুলির বিরুদ্ধে বিজেপির হাতে সুনিপুণ ভাবে বিপজ্জনক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার হতে দেখতে পাওয়া যাচ্ছে। তাই আমরা দেখছি ভোটের ময়দানে থাকা বিরোধী দলগুলিকেও কেন্দ্রের রাজনৈতিক জিঘাংসার শিকার হতে এবং মূলতঃ টাকা তছরুপ করার অভিযোগে ১৯৯৯ সালে প্রণীত পিএমএল আইন দিয়ে মহারাষ্ট্র, দিল্লী এমনকি পশ্চিমবঙ্গেও নজরকাড়া দ্রুততায় বিভিন্ন বিজেপি প্রভাবিত কেন্দ্রীয় এজেন্সীর দ্বারা কেন্দ্রের আইনের শাসন জারি করার প্রয়াস। শুধু সন্দেহের বশে যে কোন ব্যক্তি বা সংগঠনের ফান্ড প্রাথমিক ভাবে ৬ মাসের জন্য ফ্রিজ করে দেওয়া হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে সমাজ কর্মী তিস্তা শেতলবাদের এনজিও, বিজেপির কট্টর সমালোচক সাংবাদিক রানা আইয়ুব-এর বিরুদ্ধে টাকা তছরুপের অভিযোগ আনা হয়েছে। এরা কেউই তথাকথিত ভাবে সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত নন। সংবিধান এদের কাছে মূল আকর গ্রন্থ, এঁরা সাংবিধানিক স্থিতাবস্থার পক্ষে থাকা মানুষ। অর্থাৎ বিজেপি বিরোধিতার দাওয়াই হিসেবে পিএমএলএ-কে বিজেপি অবাধ ব্যবহার করছে। দেখছি কিভাবে সিবিআই, ইডি-র মুহুর্মুহু হানায় বিপর্যস্ত হয়ে বিভিন্ন রাজ্যের অবিজেপি সরকারী দলগুলি বিজেপির বিরুদ্ধে নিজের বিরোধিতা লুকিয়ে ফেলছে, নিজেকে, নিজের দলকে দলকে নিয়ে বিজেপি-র পদতলে আশ্রয় নিচ্ছে, রফা করছে, বিজেপি-র হিঁদুয়ানি আপন করে নিচ্ছে। একদিকে বিজেপির হিন্দুরাষ্ট্রের এজেন্ডা পূরণ করতে গেলে তাকে সাংবিধানিক উপায়ে, নিরপেক্ষভাবে রাজনৈতিক লড়াই করলে হবে না। ঘুরপথে দুর্নীতিগ্রস্ত অবিজেপি রাজ্যের সরকারী দলকে হাতে মোচড় দিয়ে তার লক্ষ্য পূরণ করতে হবে। তাই তার জন্যই তাকে পোষা কেন্দ্রীয় এজেন্সী, গেরুয়া বিচার ব্যবস্থা লেলিয়ে দিতে হচ্ছে। অন্যদিকে সাধারণ মানুষ যদি কোনো ভাবে তার বিরুদ্ধে ফুঁসে ওঠে, তাকে আগাম অঙ্কুরে বিনাশ করার জন্যই ব্যপক নাগরিক নজরদারী। বিজেপি তার নব্য হিন্দুত্ববাদ নিয়ে বাজারকে সেবা দেবে সেটাই তার নীতি। তার প্রয়োজনেই জনবিরোধী আইনগুলি লাগু করা, তার প্রয়োজনেই নাগরিক অধিকারকে নাকচ করা।
এমত অবস্থায় আমাদের আশু প্রয়োজন –
১। বিজেপির হিন্দু রাষ্ট্রের প্রকল্পের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক লড়াই করা।
২। দুর্নীতিগ্রস্ত রাজ্য সরকারগুলি যে কোনমতেই বিজেপির রাজনৈতিক বিকল্প নয় সেটা জনমানসে প্রতিষ্ঠা করা।
৩। বিভেদকামী রাজনীতিকে সমতা এবং অসাম্প্রদায়িক রাজনীতি দিয়ে প্রতিস্থাপিত করা।
৪। মুনাফাখোরদের দালালি করা অর্থনীতি নয়, দেশের মানুষের স্বার্থরক্ষাকারী অর্থনৈতিক প্রস্তাব গ্রহণ করা এবং তা লাগু করার জন্য আন্দোলনের জমি প্রস্তুত করা।
৫। সবরকমের জনবিরোধী আইন বাতিল করতে হবে এই মর্মে প্রচারে যাওয়া।
লেখাটি প্রকাশিত হয় আজাদ গণ মোর্চা-র মুখপত্র মাতৃভূমি পত্রিকার অক্টোবর ২০২২ সংখ্যায়
কভার ফটো সৌজন্যে – https://thelogicalindian.com/news/anti-caa-unrest-deaths/?infinitescroll=1 [Retrieved On: 11/02/2023]
